মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

 

ভবিষ্যত পরিকল্পনা

 

কার্যক্রম

বর্তমান অবস্থা

ভবিষ্যত পরিকল্পনা

 

১. সেচ কাজে ভূ-পরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি

 

 

 

   ক) নদী, খাল, পুকুর, বিল ইত্যাদি পুনঃ খনন,  

ভূ-পরিস্থ পানির সংরক্ষণ, ভূ-গর্ভস্থ পানির রিচার্জ বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসণকল্পে জেলার খাস, মজা মরা নদী, খাল, পুকুর, বিল ইত্যাদি পুনঃ খননের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৭৫.৮৪ কিঃ মিঃ খাল পুনঃ খনন করা হয়েছে।

সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ৪০০.০০ কিঃ মিঃ

 

খ) সেচ কাজে বৃষ্টি ও ভূ-পরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি, 

পুনঃ খননকৃত খাল, পুকুর, বিলে সংরক্ষিত বৃষ্টির পানি ও নদীতে এলএলপি স্থাপনের মাধ্যমে সেচ কাজে ভূ-পরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি করা। বতমানে ৫৭ টি এলএলপি সেচ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ৩০০ টি বিদ্যুৎ চালিত এলএলপি স্থাপন

 

২. সেচ কাজে পানি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি

 

 

 

ক) ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ,

ভূমি ও পানির অপচয় রোধকল্পে অর্থাৎ সেচ দক্ষতা বৃদ্ধির নিমিত্তে প্রতিটি সেচ যন্ত্রে ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফিতা পাইপের ব্যবহার বৃদ্ধি করা। বর্তমানে ১৭০৮ কিঃ মিঃ ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ করা হয়েছে এবং ব্যবহার করা হচ্ছে।

সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ৫০০ টি সেচ যন্ত্রে ৭৫০ কিঃমিঃ ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ

 

খ) সেচ কাজে ফিতা পাইপের ব্যবহার,

ভূমির অপচয় রোধকল্পে  এবং পরিমিত সেচ সেচ প্রদানের জন্য ফিতা পাইপ ব্যবহার বৃদ্ধি করা। বর্তমানে ৩০০০ মিঃ ফিতা পাইপ ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিভিন্ন সেচযন্ত্রে  সম্ভাব্য ৪০০০০মিটার ফিতা পাইপ ব্যবহার  

 

গ) আধুনিক সেচ প্রযুক্তি ব্যবহার (স্প্রিংকলার, ড্রিপ ও

        ভ্যালি ইরিগেশন),

সেচ ব্যবস্থাপণা আধুনিকায়ন ও সর্বোপরি সেচের পানির অপচয় রোধকল্পে (স্প্রিংকলার, ড্রিপ ও  ভ্যালি ইরিগেশন)

ব্যবহার।

বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পূর্বক ২০০ টি পাতকুয়াই ১০০ কিঃমিঃ পাইপ লাইন স্থাপন, বর্নিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবজি জাতীয় ফসলে সেচ প্রদান করা সম্ভব।

 

ঘ) স্মার্ট কার্ড বেইজড প্রি-পেইড মিটার ও টেলি মিটারিং সিস্টেম চালু করণ,

সেচ ব্যবস্থাপণা আধুনিকায়ন, স্বল্প খরচে সেচ গ্রহণ ও সর্বোপরি সেচের পানির অপচয় রোধকল্পে স্মার্ট কার্ড বেইজড প্রি-পেইড মিটার ও টেলি মিটারিং সিস্টেম চালু করণ। বর্তমানে ১৭০৮ টি সেচ যন্ত্রে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে।

সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ৫০০টি সেচযন্ত্র

 

৩. সেচ কাজে সৌর শক্তির ব্যবহার

বিদ্যুতের উপর চাপহ্রাস কল্পে ও সেচকাজে সৌরশক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষে সৌরশক্তি চালিত পাম্প এর ব্যবহার বৃদ্ধি করা।

বৃদ্ধি, সম্ভাব্য ২০০টি সোরশক্তি চালিত এলএলপি স্থাপন

 

৪ সৌরশক্তি চালিত পাতকুয়া (Dugg Well) খনন,

বরেন্দ্র এলাকায় ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ-পরিস্থ পানির সমন্বিত  (Conjunctive) ব্যবহার ও ভূ-গর্ভস্থ পানির অতিমাত্রা ব্যবহার সীমিত করণে খরা সহষ্ণিু ও স্বল্প পানি গ্রাহী ফসলে সেচ প্রদানের নিমিত্তে সৌরশক্তি চালিত পাতকুয়া (Dugg Well) খনন করা।

২০০ টি পাতকুয়া (Dugg Well) খননের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা।

 

৫ উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহণ ও বাজারজাত করণের লক্ষ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন

 

 

 

ক) গ্রামীণ সড়ক পাকা করণ

কৃষকের উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহণ ও বাজারজাত করণের লক্ষ্যে গ্রামীণ সড়ক পাকা করণ।

সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ১৩০ কিঃমিঃ পাকা রাস্তা নির্মান

 

খ) পুনঃ খননকৃত খাল/নদীতে ফুট ওভার ব্রীজ নির্মাণ

 

সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ১০০ টি ফুট ওভার ব্রীজ নির্মানের স্থাপন

 

৬. রাবার ড্যাম নির্মাণ

নদীর পানি সেচ কাজে ব্যবহার ও মাছের অভয়াশ্রম সংরক্ষণের নিমিত্তে আত্রাই নদীর মাদারগঞ্জ ব্রীজের আপষ্টীমে এবং বীরগঞ্জ উপজেলায়  নর্ত নদীতে কুঠিপুলের ২০০ফুট আপষ্টীমে রাবার ড্যাম নির্মাণ।

 সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ০২ টি রাবারড্যাম স্থাপন

 

৭ বনায়ন

প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে পুনঃ খননকৃত নদী, খাল, পুকুর ও রাস্তা/বাঁধে বৃক্ষ রোপণ। বর্তমানে দিনাজপুর জেলায় ১১.১৮ লক্ষ বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে এবং বর্জ পাত নিরোধ এর জন্য পুনঃ খননকৃত নদী, খাল, পুকুর ও রাস্তা/বাঁধে তাল বীজরোপণ। বর্তমানে দিনাজপুর জেলায় ৫.৩০ লক্ষ তাল বীজ রোপণ করা হয়েছে।

 

 

ক) সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ২০  লক্ষ বিভিন্ন জাতের ফলদ,বনজ ও ওষধি গাছের চারা রোপন।

খ) ১০ লক্ষ তালবীজ রোপনের সম্ভাব্য লক্ষমাত্রা।

 

৮ কৃষক প্রশিক্ষণ

আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি সম্পর্কে কৃষক প্রশিক্ষণ প্রদান। বর্তমানে দিনাজপুর জেলায় ৬৮০১ জন কৃষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

২০০০০ জন কৃষক প্রশিক্ষণের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা।

 

৯ উন্নত জাতের বীজ উৎপাদন ও বিপণন

দিনাজপুর জেলায় বিএমডিএর আওতায় বোরো মৌসুমে প্রয়োজন হয় প্রায় ১৫৬০ মেঃটন ও আমন মৌসুমে প্রয়োজন হয় প্রায় ১২১২মেঃটন। বর্তমানে বিএমডিএ  প্রায় ২০হতে ২৫ মেঃ টন বীজ সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

প্রতি বছর গড়ে ২০  টন উন্নত জাতের ধান ও গম বীজ বিতরণ

 

১০. বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ

স্থাপিত গভীর নলকূপ হতে গ্রামীণ জনপদে আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ স্থাপনা নির্মাণ। বর্তমানে নাটোর জেলায় ১৩৬ টি স্থাপনার মাধ্যমে ৪৩৯২৭ জন গ্রামীণ অধিবাসীকে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

২০০ টি খাবার পানি সরবরাহ স্থাপনা নির্মাণের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter